নয়নতারা ফুলের ব্যবহার?

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা ছাড়াও, নয়নতারা ফুল তার প্রদাহ-বিরোধী গুণাবলীর জন্যও পরিচিত। নয়নতারার উল্লেখযোগ্য ফাইটোকেমিক্যাল উপাদান, বিশেষ করে এর ফ্ল্যাভোনয়েড, যার শক্তিশালী প্রদাহ-বিরোধী প্রভাব রয়েছে, এর প্রদাহ-বিরোধী গুণাবলীর জন্য মূলত দায়ী।

নয়নতারা ফুল

নয়নতারা গাছ কি বাড়িতে লাগানো ভালো?

পোকামাকড় ও রোগ প্রতিরোধী: নয়নতারা সাধারণ বাগানের পোকামাকড় ও রোগের প্রতি তার স্থিতিস্থাপকতার জন্য পরিচিত, যা কীটনাশক এবং রাসায়নিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করে। ঘন বৃদ্ধি: ঘন বৃদ্ধির অভ্যাসের কারণে, এই জীবন্ত উদ্ভিদটি কাছাকাছি অন্যান্য গাছপালাকে পরাভূত করবে না, যা এটিকে ছোট বাগানের জায়গার জন্য উপযুক্ত করে তোলে।

ইংরেজিতে ‘মাদাগাস্কার পেরিউইঙ্কল’, বাংলায় ‘নয়ন্তরা’, মালায়ালামে ‘উষামালারি’ এবং হিন্দিতে ‘সদাপুষ্প’ নামে পরিচিত এই উদ্ভিদটির স্বাস্থ্যগত উপকারিতা ব্যাপক এবং ডায়াবেটিস, গলা ব্যথা, ফুসফুসের ভিড়, ত্বকের সংক্রমণ, চোখের জ্বালা সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যা নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়।

নয়নতারা ফুল, যা ক্যাথারান্থাস রোজাস বা মাদাগাস্কার পেরিউইঙ্কল নামেও পরিচিত, একটি মনোমুগ্ধকর বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ যা তার সূক্ষ্ম, তারা আকৃতির ফুলের জন্য পরিচিত । নয়নতারা ফুল, যা রাতের বেলায় ফুল ফোটে, এটি একটি মনোমুগ্ধকর এবং মনোমুগ্ধকর ফুল যা রাতের বেলায় একটি মিষ্টি সুবাস ছড়িয়ে দেয় । এই সূক্ষ্ম ফুলটি Oleaceae পরিবারের অন্তর্গত এবং এশিয়া ও আফ্রিকার কিছু অংশ সহ গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপ-ক্রান্তীয় অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করে।

রাসায়নিক উপাদান

গাছটির পাতা, ফুল ও ডালে বহু মূল্যবান রাসায়নিক উপাদান পাওয়া যায়। ৭০ টিরও বেশি উপক্ষার পাওয়া যায় এ গাছ থেকে। ভিনক্রিস্টিন ও ভিনব্লাস্টিন নামের উপক্ষার দুটি লিউকেমিয়া রোগে বিশেষ ব্যবহার রয়েছে। ডেলটা-ইহোহিম্বিন নামের এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থ পাওয়া যায়।

ব্যবহার

ক্রিমি রোগে, মেধাবৃদ্ধিতে, লিউকোমিয়া, মন ভালো করে,রক্ত প্রদরে, রক্তচাপ বৃদ্ধিতে, সন্ধিবাত, বহুমূত্র সহ নানা রোগে এর ব্যবহার রয়েছে। বোলতা প্রভৃতির হুলের জ্বালায়/কীট দংশনে দ্রুত উপশম পেতে নয়নতারা ফুল বা পাতার রস ব্যবহারের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।

By Srinath

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *